প্রতিটি মানুষের মনের গহীনে একটি সুপ্ত বাসনা থাকে, সারাদিনের শত কর্মব্যস্ততা শেষে ক্লান্তিভরা চোখে এমন একজন মানুষকে দেখবে, যাকে দেখলে ক্লান্তির অবসান ঘটবে চোখজুড়ানো শান্তিতে, এমন একজনের সান্নিধ্য পাওয়া, যার কাছে মন খুলে কথা বলা যায়, যে হবে সুখ-দুঃখের সাথী। ইসলাম এই মানবিক চাহিদাকে কেবল স্বীকৃতিই দেয়নি, বরং একে ইবাদতের মর্যাদা দিয়েছে। আল্লাহ সুবহানাওয়াতা'আলা মু'মিনদের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেছেন, “এবং যারা প্রার্থনা করে বলে, ‘হে আমাদের রব! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য চোখজুড়ানো। আর আপনি আমাদেরকে করুন মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।” ইসলামে পরিবার গঠনের জন্য বিবাহকে অত্যাবশ্যকীয় বিধান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
ভূমিকা - একাকীত্বের অবসান ও একটি পবিত্র শুরুর গল্প
প্রতিটি মানুষের মনের গহীনে একটি সুপ্ত বাসনা থাকে, সারাদিনের শত কর্মব্যস্ততা শেষে ক্লান্তিভরা চোখে এমন একজন মানুষকে দেখবে, যাকে দেখলে ক্লান্তির অবসান ঘটবে চোখজুড়ানো শান্তিতে, এমন একজনের সান্নিধ্য পাওয়া, যার কাছে মন খুলে কথা বলা যায়, যে হবে সুখ-দুঃখের সাথী। ইসলাম এই মানবিক চাহিদাকে কেবল স্বীকৃতিই দেয়নি, বরং একে ইবাদতের মর্যাদা দিয়েছে। আল্লাহ সুবহানাওয়াতা'আলা মু'মিনদের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেছেন, “এবং যারা প্রার্থনা করে বলে, ‘হে আমাদের রব! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য চোখজুড়ানো। আর আপনি আমাদেরকে করুন মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।” ইসলামে পরিবার গঠনের জন্য বিবাহকে অত্যাবশ্যকীয় বিধান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন আমরা জীবনসঙ্গী খুঁজতে যাই। আমাদের কল্পনায় আঁকা থাকে এক নিখুঁত রাজকুমার বা রাজকন্যার ছবি। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। একজন যুবক বা যুবতী হিসেবে বিয়ের বাজারে নেমে আপনি হয়তো বিভ্রান্ত, আসলে কী দেখব? সৌন্দর্য? টাকা? নাকি শুধুই নামাজ-কালাম?
আজকের ব্লগে আমরা কথা বলব "পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের ভিত্তি ও মানদণ্ড" নিয়ে। ইসলামি নির্দেশনার আলোকে জানব, স্বপ্নের মানুষ এবং বাস্তবের মানুষের মধ্যে ভারসাম্যটা কীভাবে করবেন।
চারটি মানদণ্ড: রসুলুল্লাহর (ﷺ) সেই কালজয়ী ফর্মুলা
জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই হাবুডুবু খাই। অথচ আজ থেকে চৌদ্দশ বছর আগে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ (ﷺ) একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন: "চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়:
- ১. তার ধন-সম্পদ,
- ২. তার বংশমর্যাদা,
- ৩. তার দৈহিক সৌন্দর্য এবং
- ৪. তার দ্বীনদারি।
সুতরাং তুমি দ্বীনদারিকেই প্রাধান্য দেবে, নতুবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে।"
এই হাদিসটি শুধু একটি সাধারণ নির্দেশনা নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর সাইকোলজিক্যাল এবং সোশ্যাল সাইন্স। আসুন, এই চারটি বিষয়কে একটু আধুনিক চশমায় বিশ্লেষণ করি।
দ্বীনদারি: কেন এটিই ‘নাম্বার ওয়ান’ প্রায়োরিটি?
অনেকে মনে করেন, "দ্বীনদারি" মানে হলো মেয়েটি বোরকা পরে কি না, অথবা ছেলেটি পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে যায় কি না। এটি অবশ্যই দ্বীনদারির অংশ, কিন্তু পুরোটা নয়। দ্বীনদারি বলতে বোঝায় ইসলামের মোলিক বিষয়ে পরিপূর্ণ সমঝদারি, শিষ্টাচার এবং আল্লাহভীতি।
- কেন দ্বীনদারি আগে? চিন্তা করে দেখুন, রূপ-লাবণ্য সময়ের সাথে ফিকে হয়ে যাবে। ধন-সম্পদ আজ আছে, কাল নেই। কিন্তু যে গুণটি কবরের আগ পর্যন্ত, এমনকি পরকালেও আপনার সাথে থাকবে, তা হলো আপনার সঙ্গীর ‘তাকওয়া’ বা আল্লাহভীতি।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, একজন মুমিন দাসী বা গোলাম একজন মুশরিক বা অবিশ্বাসী স্বাধীন নারী-পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সেই মুশরিকের সৌন্দর্য তোমাকে মুগ্ধ করে।
রসুলুল্লাহ (ﷺ) সতর্ক করেছেন, যদি দ্বীনদারিকে প্রাধান্য না দাও, তবে তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তোমার হাত ধুলোয় ধূসরিত হবে।
একজন দ্বীনদার সঙ্গীর বৈশিষ্ট্য কী?
সহজ কথায়, যে আল্লাহকে ভয় পায়, সে আপনাকে ঠকাবে না। রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দুনিয়ার সব কিছুই উপভোগ্য সম্পদ, আর এর মধ্যে শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো একজন পুণ্যবতী স্ত্রী। একজন নেককার স্ত্রী বা স্বামী যখন ঘরে থাকে, তখন সেই ঘরটি জান্নাতের বাগানে পরিণত হয়। সে আপনাকে আখেরাতের পথে চলতে সাহায্য করে। সুতরাং, চেকলিস্টের প্রথমেই টিক চিহ্ন দিন—সে কি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে (ﷺ) মেনে চলে? তার চরিত্র কি সুন্দর? যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে আপনি সঠিক পথেই আছেন।
সৌন্দর্য: মোহ বনাম বাস্তবতা
আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় হিপোক্রেসি হলো আমরা মুখে বলি "চরিত্রই আসল", কিন্তু ভেতরে ভেতরে খুঁজি হারাম ও মিথ্যা গ্ল্যামার জগতের তথাকথিত সেলিব্রেটিদের মতো অভিশপ্ত মানুষদেরকে। ইসলাম কি সুন্দর কাউকে চাইতে নিষেধ করেছে? একদম না। ইসলামে সৌন্দর্যের স্থান স্পষ্ট উল্লেখ আছে, সৌন্দর্যের শর্ত আরোপ করা দোষের কিছু নয়। বরং বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীকে দেখে নেওয়া সুন্নাহ। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "তাকে দেখে নাও, এটা তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করবে"। সৌন্দর্য চোখের প্রশান্তি দেয় এবং চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষায় সাহায্য করে।
-
বিপদ যেখানে সমস্যা হলো আজকের মিডিয়া কবলিত যুগে আমাদের সৌন্দর্যের সংজ্ঞাই পাল্টে গেছে। বিবাহ সংক্রান্ত একটি বই পড়তে গিয়ে পেয়েছিলাম এক মজার গল্প, সত্যতা যাচাই করা না গেলেও উদাহরণ হিসেবে সংক্ষেপে উল্লেখ করা যেতেই পারে: এক যুবক বিয়ের জন্য এমন সব শর্ত দিয়েছিল: স্ত্রীকে হতে হবে স্বর্ণকেশী, রক্তনালী দেখা যাবে এমন ফর্সা ইত্যাদি ইত্যাদি। তার বন্ধু তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেছিল, "তুমি যে বিবরণ দিলে, এমন মেয়ে পাওয়ার জন্য রাজারাও তাদের রাজ্য দিয়ে দেবে। আয়নায় নিজের চেহারাটা কি দেখেছ?"।বাস্তবসম্মত পরামর্শ।
-
ফিল্টার বনাম ফেস: সোশ্যাল মিডিয়ার ফিল্টার দেওয়া ছবি দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। কৃত্রিম চাকচিক্য আর মেকআপের আড়ালে আসল মানুষটিকে চিনতে শিখুন। নথিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘক্ষণ কৃত্রিম চাকচিক্য বা মিডিয়ার নারীদের দেখলে সাধারণ ঘরের নারীদের আর ভালো লাগে না, যা দাম্পত্য জীবনে অশান্তি ডেকে আনে ।
-
দ্বীনদারি + সৌন্দর্য = বোনাস: যদি কেউ দ্বীনদার হয় এবং সাথে সুন্দরও হয়, তবে তা সোনায় সোহাগা। কিন্তু সৌন্দর্যের জন্য দ্বীনদারি ছাড় দেওয়া যাবে না। মনে রাখবেন, চরিত্রহীন সুন্দরী নারী বা পুরুষ হলো সবুজ আবর্জনার মতো, যা দেখতে সুন্দর কিন্তু ভেতরে দুর্গন্ধময়।
বংশমর্যাদা ও ‘ফ্যামিলি কালচার’
বংশমর্যাদা বা 'হাসাব-নাসাব' নিয়ে আমাদের সমাজে দুটি ভুল ধারণা আছে। একদল মনে করে বংশ কিছুই না, আরেকদল বংশগৌরবে মাটিতে পা ফেলে না। ইসলাম এখানেও ভারসাম্য এনেছে।
-
বংশ কেন গুরুত্বপূর্ণ? একটি ভালো বংশ বা সম্ভ্রান্ত পরিবার মানে এই নয় যে তাদের প্রচুর টাকা থাকতে হবে। এর মানে হলো, সেই পরিবারে ভদ্রতা, শিষ্টাচার এবং দ্বীনদারির চর্চা আছে কি না। অর্থাৎ ফ্যামিলি কালচার বল্পতে যা বুঝায়। একটি মেয়ে বা ছেলে যে পরিবারে বড় হয়, তার মন-মানসিকতা সেই পরিবারের আদলেই গড়ে ওঠে। যে পরিবারে মা-বাবা ঝগড়া করে, সেই পরিবারের সন্তানও অ্যাগ্রেসিভ হতে পারে। আবার যে পরিবারে দ্বীনের চর্চা আছে, আতিথেয়তা আছে, সেই পরিবারের সন্তানও সাধারণত বিনয়ী হয় । বংশ দেখার সঠিক নিয়ম:
-
বাবা-মায়ের চরিত্র: ছেলে বা মেয়ের বাবা-মা কেমন, তা দেখুন। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর একজন মহান সাহাবী উসমান ইবনু আবিল আস (রা.) তার সন্তানদের উপদেশ দিয়েছিলেন, "কোথায় বীজ বপন করছ (বিয়ে করছ), তা দেখে নিও। কারণ দাগি বংশের মানুষ খুব কমই ভালো হয়"।
-
আত্মীয়তা: আত্মীয়-স্বজনের সাথে তাদের সম্পর্ক কেমন? তারা কি মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করে? এগুলো যাচাই করুন।
-
সতর্কতা: তবে মনে রাখবেন, বংশমর্যাদা যেন অহংকারের কারণ না হয়। তাকওয়াই হলো আল্লাহর কাছে সম্মানের একমাত্র মাপকাঠি।
৫. অর্থ-সম্পদ: লোভ নাকি প্রয়োজন?
বিয়ের বাজারে পাত্রের যোগ্যতা মাপা হয় তার স্যালারি বা ব্যাংক ব্যালেন্স দিয়ে, আর পাত্রীর যোগ্যতা মাপা হয় বাবার সামর্থ্য দিয়ে। এটি একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতা। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ধন-সম্পদকে বিয়ের একটি ফ্যাক্টর হিসেবে উল্লেখ করেছেন, কিন্তু এটিকে প্রাধান্য দিতে নিষেধ করেছেন। কারণ সম্পদ আজ আছে, কাল নেই।
ছেলেদের ক্ষেত্রে: ছেলের বর্তমান আয়ের চেয়ে তার কর্মক্ষমতা বা 'পটেনশিয়াল' এবং হালাল উপার্জনের মানসিকতা বেশি জরুরি। নবীজি (সা.) বলেছেন, সামর্থ্য থাকলে বিয়ে করো। কিন্তু এর মানে এই নয় যে কোটিপতি হতে হবে।
মেয়েদের ক্ষেত্রে: মেয়ের বাবার টাকা দেখে বিয়ে করা মানে নিজের পৌরুষকে অপমান করা। বরং অল্প মোহরানা এবং অনাড়ম্বর বিয়েতেই বেশি বরকত রয়েছে।
৬. সমতা বা ‘কুফু’: এটি কি জরুরি?
বিয়ের ক্ষেত্রে ‘কুফু’ বা সমতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিবাহে সমতা হবে মূলত দ্বীনদারি ও চরিত্রের ক্ষেত্রে। তবে সামাজিক বাস্তবতায় স্বামী-স্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, এবং পারিবারিক স্ট্যাটাসের মধ্যে খুব বেশি আকাশ-পাতাল তফাৎ থাকলে বোঝাপড়ায় সমস্যা হতে পারে। তাই দ্বীনদারির পাশাপাশি মানসিক এবং সামাজিক সমতা থাকাও সুখের সংসারের জন্য সহায়ক। তবে দ্বীনদারি যদি ঠিক থাকে, তবে অন্য অনেক অমিলও ভালোবাস দিয়ে পূরণ করা সম্ভব।
৭. কিছু প্রাকটিক্যাল চেকলিস্ট
এতক্ষণ তো শুনলেন তথ্যের ঝনঝনানি, এখন বাস্তবে কী করবেন? আমাদের অনুসন্ধানের আলোকে আপনার জন্য কিছু টিপস:
-
১. নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনি কেমন? আপনি যদি নিজে ফজরের নামাজ না পড়েন, আর তাহাজ্জুদ গুজার স্ত্রী আশা করেন, তবে তা বোকামি। আমাদের একজন সালাফ দারুণ একটি কথা বলেছিলেন, "যদি তুমি ফাতিমার (রা.) মতো স্ত্রী চাও, তবে আলীর (রা.) মতো হও"। নিজের চরিত্র ঠিক করুন, আল্লাহ আপনার জন্য উত্তম জোড়া মিলিয়ে দেবেন।
-
২. চাহিদার তালিকা ছোট করুন: ওই যে "মঙ্গল গ্রহের মেয়ে" খোঁজার গল্পের মতো লম্বা লিস্টি করবেন না। ৫-১০ টি গুণের তালিকা না করে মৌলিক ৩টি বিষয়ে ফোকাস করুন:
- সে কি আল্লাহকে ভয় করে? (দ্বীনদারি)
- তাকে দেখলে কি আমার ভালো লাগে? (সৌন্দর্য/রুচি)
- তার পরিবার কি ভদ্র ও সামাজিক? (বংশ/কালচার)
-
৩. নারীবাদ ও পুরুষতন্ত্রের বিষ: পাত্র বা পাত্রী নির্বাচনের সময় খেয়াল করুন তার মধ্যে উগ্র নারীবাদ বা উগ্র পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব আছে কি না। বর্তমান সময়ে ডিভোর্সের অন্যতম কারণ হলো একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের অভাব এবং অধিকার আদায়ের অসুস্থ লড়াই। পরিবার কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয়, এটি ভালোবাসা ও ত্যাগের জায়গা।
-
৪. ধোঁকা থেকে বাঁচুন: শুধুমাত্র বায়োডাটা বা ছবি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না। সরাসরি কথা বলুন, অভিভাবকদের মাধ্যমে খোঁজ নিন। কারণ মানুষ যা লেখে, বাস্তবে তা নাও হতে পারে।
উপসংহার
ভরসা রাখুন আল্লাহর ওপর প্রিয় ভাই ও বোনেরা, বিয়ে হলো আল্লাহর একটি বিশেষ নিয়ামত। আপনি যত বুদ্ধিমানই হোন না কেন, কার সাথে আপনার সংসার লেখা আছে, তা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাওয়াতা'আলাই জানেন। আমাদের কাজ হলো শরীয়তের গাইডলাইন মেনে চেষ্টা করা। পুণ্যবতী স্ত্রীর খোঁজ আপনার কাছে নেই, কিন্তু আল্লাহ সুবহানাওয়াতা'আলার কাছে আছে। তাই চেষ্টার পাশাপাশি তাহাজ্জুদে আল্লাহ সুবহানাওয়াতা'আলার কাছে ধরণা দিন। তিনি যখন দেবেন, তখন আপনার কল্পনার চেয়েও উত্তম কিছুই দেবেন।
পরবর্তী পর্বে যা থাকছে:
জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ভিত্তি তো জানলেন। কিন্তু পাত্র বা পাত্রী দেখতে গিয়ে কী করবেন? কী প্রশ্ন করবেন? হবু সঙ্গীকে কতটা দেখা জায়েজ? কীভাবে বুঝবেন সে-ই আপনার জন্য পারফেক্ট? এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব আমাদের "জীবনসঙ্গী নির্বাচন পর্ব-২: যাচাই-বাছাই ও দর্শনের পদ্ধতি" ব্লগে। চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে!



